আমার একটি দোকান আছে, যেখানে ঔষধও বিক্রি করি, তাবিজও বিক্রি করি, রত্নও বিক্রি করি। যা কিছু আছে, সবই বিক্রি করা যায়। আমার একটি চোখ আছে, যা শুভও দেখতে পারে, অশুভও দেখতে পারে, ভাগ্যও দেখতে পারে। চারপাশের সমস্ত কিছুই আমি দেখতে পারি। আমার ইতিমধ্যে চারটি ভিআইপি উপন্যাস সম্পূর্ণ হয়েছে—‘পুনর্জন্মের কঙ্কাল জীবন’, ‘পৃথিবীর সম্রাটের কাহিনি’, ‘ভূত তাড়ানোর ডায়েরি’, ‘সহস্র দৈত্যের জনক’—মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় এক কোটি। কখনও ধারাবাহিকতা ভেঙে যায়নি, নিশ্চিন্তে পড়তে পারেন।
[নতুন বই ‘আকাশকে প্রশ্ন’ প্রকাশিত হয়েছে, অনুগ্রহ করে সংগ্রহে রাখুন ও সুপারিশ করুন। নতুন বইয়ের সময়ে, সংগ্রহ ও সুপারিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।]
শেন্নোংজিয়া, এক পাহাড়ি উপত্যকা, শুষ্ক লতা, পুরনো বৃক্ষ, আর প্রজাপতির নৃত্য!
মানুষশূন্য, চিরকাল রহস্যে মোড়া, অগণিত কিংবদন্তি ঘেরা শেন্নোংজিয়ার গভীরে রয়েছে এক উপত্যকা। চারদিকে পর্বতবেষ্টিত, পশ্চাৎপাহাড়ে এক জলপ্রপাত আকাশ থেকে ঝরে পড়ে। উপত্যকার পরিবেশে ছড়িয়ে আছে প্রকৃতির অপার ঐশ্বর্য; শুকনো লতা, পুরনো বৃক্ষ, বিষণ্ন কাক, প্রজাপতির উড়ান—সব মিলিয়ে যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। উপত্যকার মাঝে রয়েছে এক প্রাচীন রুচিসম্পন্ন প্রাসাদ, তার ভেতরে পরনে রাজকীয় পোশাক, একাধিক কুমারী দাসী।
সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন, যেন এক স্বর্গীয় আশ্রম।
প্রাসাদের গাঢ় বেগুনি স্থাপত্যে চোখ পড়লে, বাইরের কেউ দেখলে অবাক হয়ে চমকে উঠত—সর্বত্র ব্যবহৃত হয়েছে দুষ্প্রাপ্য সেগুনকাঠ, যার সুবাসে পরিবেশ মুগ্ধ, মন স্থির ও শান্ত।
প্রাসাদের পেছনের বাগানে,
লতাগুল্ম বিস্তার করে ছায়াঘেরা এক মাচা গড়ে তুলেছে।
তার নিচে, এক পুরনো লতার চেয়ার, সাদা পোশাকে এক মধ্যবয়সী পুরুষ, যার মুখশ্রী সাধারণ হলেও চোখে-মুখে বহমান অপার্থিব ঔজ্জ্বল্য, শান্ত ভঙ্গিতে শুয়ে আছেন। হাতে ধরা একটি পুরনো, কিছুটা বিবর্ণ পুঁথি। সামনে ছোট্ট বর্গাকার টেবিল, তার ওপর অঙ্গারচুল্লিতে বসানো একটি চায়ের কেটলি, পাশে কয়েকটি চায়ের কাপ। বাঁশপাতার মতো চা পাতার সুভাষে বাতাস ভারী।
দৃশ্যটি যেন কোনো চিত্রকল্পের মতো।
“হায়!”—এক দীর্ঘশ্বাসে পুঁথিটি বন্ধ করলেন মধ্যবয়সী পুরুষটি, ভ্রু-ভাজে ছায়া ফেলল গভীর আকাঙ্ক্ষা ও স্মৃতিচারণার রেশ।
পুঁথির নামটি স্পষ্ট—‘মেঘবিধান ফর্মুলার সারমর্ম’।
“মেঘ গিলে ধোঁয়া吐, ভূত তাড়ানো, দেবতাকে বশ করা, দিগ্বিদিক ঘোরা, বাতাস-বর্ষার আহ্বান, পাহাড়-সাগর চূর্ণ করা। ভাগ্য গণ