জীবনের প্রথম সুপারিশপ্রাপ্ত স্থান
এটাই আজকের দ্বিতীয় একক অধ্যায়। প্রথমটি পাঠকগোষ্ঠী নিয়ে ছিল, আর এই অধ্যায়টি আমার জীবনের প্রথম সুপারিশের জন্য সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে লেখা।
সত্যি বলতে কী, যখন প্রথম এই উপন্যাস লেখা শুরু করেছিলাম, তখন কখনও ভাবিনি যে এটি চুক্তিবদ্ধ হবে। তখন নিছক শখের বশেই কলম ধরা হয়েছিল।
এর কারণ আগের একক অধ্যায়েও বলা হয়েছে—একদিকে মুহূর্তের ইচ্ছা, অন্যদিকে নিজের শূন্যতাকে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা।
স্নাতক শেষ করে চাকরি জীবনে প্রবেশের পর বুঝতে পারি, সবাই যেটা বলে, জীবনের দিনগুলো যেন পিঁপড়ের মত একঘেয়ে, একদিনের পরে আরেকদিন একইভাবে কেটে যায়।
এটা সত্যিই খুব একঘেয়ে ও নিরস। যদিও বর্তমানে যেই কাজটা করছি, সেটা একসময় আমার শখই ছিল, কিন্তু শখ যখন পেশা হয়ে যায়, তখন কখনও কখনও সত্যিই খুব কষ্ট হয়!
প্রতিদিন রাত আটটা থেকে বারোটার মধ্যে কিছু সময় আমার একান্ত নিজের। এই সময়টাই আগে সবচেয়ে শূন্য লাগত; প্রতিদিন কম্পিউটারের সামনে বসে থাকতাম, কী করব বুঝতে পারতাম না—লাইভ দেখার ছাড়া আর কিছু করতাম না। এই অবস্থা প্রায় এক বছর চলেছিল, অবশেষে সম্প্রতি এই উপন্যাস লেখা শুরু করি।
প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে রাতের খাওয়া শেষে, প্রায় আটটা থেকে রাত বারোটার পর পর্যন্ত লিখি। যদিও একটু ক্লান্তি আসে, তবুও মনে হয় দিনটা পূর্ণ হয়েছে, আর মনটা আর খালি খালি লাগে না।
এই বইটির সাফল্য আমাকেও অবাক করেছে। চুক্তিবদ্ধ হওয়া থেকে শুরু করে সুপারিশ স্থান পাওয়া পর্যন্ত, সবকিছু স্বপ্নের মতোই লাগছে।
তাই প্রথমেই অবশ্যই সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি—আপনাদের সমর্থন ও ভালোবাসার কারণেই এই গল্পটা প্রাণ পেয়েছে।
দ্বিতীয়ত, সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা, কারণ তিনি এই বইটিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন, যা আমাকে প্রচণ্ড অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
আপডেটের বিষয়ে বলতে গেলে, বর্তমানে প্রতিদিন দুইটি অধ্যায় প্রকাশ করাই আমার সামর্থ্যের শেষ সীমা। ভবিষ্যতে যদি লেখার গতি বাড়ে, তবে হয়তো আরও বেশি লেখা যাবে।
এছাড়াও, সকলকে আমন্ত্রণ জানাই পাঠকগোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে: তিন এক সাত ছয় শূন্য সাত চার এক চার।
এই পর্যন্তই থাক, এখন লেখা শুরু করি!